Home / দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম / কাফের কি দ্বীন শিক্ষার জন্য মসজিদে প্রবেশ করতে পারবে?

কাফের কি দ্বীন শিক্ষার জন্য মসজিদে প্রবেশ করতে পারবে?

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

প্রবন্ধটি পড়া হলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

শুরু করছি মহান আল্লাহর নামে যানি পরম করুনাময়, অসীম দয়ালু।

কাফের কি দ্বীন শিক্ষার জন্য মসজিদে প্রবেশ করতে পারবে?

প্রশ্ন: কোন আলোচনা কিংবা তালীম শোনার উদ্দেশ্যে কাফেরের জন্য মসজিদে প্রবেশ করা জায়েয আছে কিনা?

উত্তর:- আলহামদুলিল্লাহ
উত্তর: হ্যাঁ, এটি জায়েয আছে। তবে শর্ত হল, কাফেরটি দ্বারা মসজিদ নাপাক হওয়ার কোনো সম্ভাবনা না থাকা। কারণ, কাফেরটির মসজিদে প্রবেশ করা তার ভালোর জন্য, তাতে মসজিদের কোনো ক্ষতি নাই। যেমনিভাবে মসজিদের কোনো কিছু ঠিক করার উদ্দেশ্যে কাফের মসজিদে প্রবেশ করতে পারবে, অনুরূপভাবে কোনো তালিম, দারস বা আলোচনা শোনার উদ্দেশ্যেও একজন কাফের মসজিদে প্রবেশ করতে পারবে। কারণ, এটি তার হিদায়াতের কারণও হতে পারে। রাসূল সা. কর্তৃক সুমামা ইবনুল আসাল রা. কে মসজিদের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখা দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, কাফেরের জন্য মসজিদে প্রবেশ করা বৈধ।
“الإجابات على أسئلة الجاليات” (1/21، 22) .

মূলঃ শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন

অনুবাদ : জাকেরউল্লাহ আবুল খায়ের

প্রশ্ন :
সংকীর্ণতার কারণে অথবা রাগ করে জীবনকে গালি দেয়ার বিধান কি ? এ ব্যাপারে আপনাদের দিকনির্দেশনা কামনা করছি।

উত্তর :
আল-হামদুলিল্লাহ
সংকীর্ণতার কারণে অথবা রাগ করে জীবনকে গালি দেয়া বৈধ নয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদিসে খুদিতে বলেছেন।
বনী আদম আমাকে কষ্ট দেয়। সে যুগকে গালি দেয়, অথচ আমিই যুগ। আমার হাতে আমিই রাত-দিন পরিবর্তন করি।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রমাণিত, তিনি বলেন :

( لا تسبوا الدهر فإن الله هو الدهر )

তোমরা জামানা গালি দিয়ো না, কারণ, আল্লাহ তাআলাই জামানা।

অর্থাৎ তিনিই জামানা পরিবর্তনকারী। মানুষ কোন মসিবতের সম্মুখীন হলে করণীয় হচ্ছে ধৈর্য ধারণ করা ও ছাওয়াবের আশা রাখা। কারণ আল্লাহ তাআলা ধৈর্য ধারণ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

আল্লাহ তাআলা তার নবীকে লক্ষ্য করে বলেন,

{এগুলো গায়েবের সংবাদ, আমি তোমাকে ওহীর মাধ্যমে তা জানাচ্ছি। ইতঃপূর্বে তা না তুমি জানতে এবং না তোমার কওম। সুতরাং তুমি সবর কর। নিশ্চয় শুভ পরিণাম কেবল মুত্তাকিদের জন্য।} সূরা হুদ : ৪৯
মানুষের স্মরণ রাখা উচিত যে, দুনিয়ার কোন মুসীবত এমন নয়, যার তুলনায় বড় মুসীবত আর নেই। অর্থাৎ মুসীবতের উপর মুসীবত রয়েছে। আর যখন সে এটা মনে রাখবে, তখন তার উপর বিদ্যমান এ মুসীবত বিপদ হালকা হয়ে যাবে।

মূলঃ শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন

অনুবাদঃ সানাউল্লাহ নাজির আহম্মেদ

ইসলাম প্রচার ব্যুরো , রাবওয়াহ, রিয়াদ


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক! মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের শ্বাশত বাণী ছড়িয়ে দিন। আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিভিন্ন লেখা ফেসবুক, টুইটার, ব্লগ ইত্যাদি ওয়েবসাইটে শেয়ার করুন এবং সকলকে জানার সুযোগ করে দিন। নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে -এ লাইক করুন

Check Also

পিতা-মাতার সাথে আদব সমূহ

শেয়ার করুন      প্রবন্ধটি পড়া হলে শেয়ার করতে ভুলবেন না। শুরু করছি মহান আল্লাহর নামে যানি …

মন্তব্য করুন

Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

close