Home / দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম / ছুটে যাওয়া সুন্নাত আদায় প্রসঙ্গে

ছুটে যাওয়া সুন্নাত আদায় প্রসঙ্গে

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

প্রবন্ধটি পড়া হলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

শুরু করছি মহান আল্লাহর নামে যানি পরম করুনাময়, অসীম দয়ালু।

ছুটে যাওয়া সুন্নাত আদায় প্রসঙ্গে

কুরায়ব (রহঃ) হ’তে বর্ণিত, ইবনু আববাস, ইবনু মাখরামাহ এবং আব্দুর রহমান ইবনু আযহার (রাঃ) তাঁকে আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন এবং বলে দিলেন, তাঁকে আমাদের সকলের তরফ হ’তে সালাম পৌঁছে দিবে ও আছরের পরের দু’রাক‘আত ছালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে। তাঁকে একথাও বলবে যে, আমরা খবর পেয়েছি যে, আপনি সে দু’রাক‘আত আদায় করেন; অথচ আমাদের নিকট পৌঁছেছে যে নবী করীম (ছাঃ) সে দু’রাক‘আত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। ইবনু আববাস (রাঃ) সংবাদে আরও বললেন যে, আমি ওমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর সাথে এ ছালাতের কারণে লোকদের মারধর করতাম। কুরায়ব (রহঃ) বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে তাঁকে তাঁদের পয়গাম পৌঁছে দিলাম।

তিনি বললেন, উম্মু সালামাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস কর। কুরায়ব (রহঃ) বলেন, আমি সেখান হ’তে বের হয়ে তাঁদের নিকট গেলাম এবং তাঁদেরকে আয়েশা (রাঃ)-এর কথা জানালাম। তখন তাঁরা আমাকে আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট যে বিষয় নিয়ে পাঠিয়েছিলেন তা নিয়ে পুনরায় উম্মু সালামাহ (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বললেন, আমিও নবী করীম (ছাঃ)-কে তা নিষেধ করতে শুনেছি। অথচ তাকে আছরের ছালাতের পর তা আদায় করতেও দেখেছি। একদা তিনি আছরের ছালাতের পর আমার ঘরে আসলেন। তখন আমার নিকট বনু হারাম গোত্রের আনছারী কয়েকজন মহিলা উপস্থিত ছিলেন। আমি বাঁদীকে এ বলে তাঁর নিকট পাঠালাম যে, তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে তাঁকে বলবে, উম্মে সালামাহ (রাঃ) আপনার নিকট জানতে চেয়েছেন, আপনাকে (আছরের পর ছালাতের) দু’রাক‘আত নিষেধ করতে শুনেছি। অথচ দেখছি, আপনি তা আদায় করছেন? যদি তিনি হাত দিয়ে ইঙ্গিত করেন, তাহ’লে পিছনে সরে থাকবে, বাঁদী তা-ই করল। তিনি ইঙ্গিত করলেন, সে পিছনে সরে থাকল। ছালাত শেষ করে তিনি বললেন, হে আবূ উমাইয়ার কন্যা! আছরের পরের দু’রাক‘আত ছালাত সম্পর্কে তুমি আমাকে জিজ্ঞেস করেছ। আব্দুল কায়স গোত্রের কিছু লোক আমার নিকট এসেছিল। তাতে যোহরের পরের দু’রাক‘আত আদায় করতে না পেরে (তাদেরকে নিয়ে) ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। এ সেই দু’রাক‘আত। (বুখারী হা/১২৩৩, ৪৩৭০, মুসলিম ৬/৫৪, হা/৭৩৪)

ইমামকে সতর্ক করতে মুক্তাদীর করণীয়

সাহল ইবনু সা‘দ আস-সাঈদী (রাঃ) হ’তে বর্ণিত নবী করীম (ছাঃ)-এর নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, বনু আমর ইবনু আওফ এ কিছু ঘটেছে। তাদের মধ্যে আপোষ করে দেয়ার উদ্দেশ্যে তিনি কয়েকজন ছাহাবীসহ বেরিয়ে গেলেন। আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) সেখানে কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েন। ইতিমধ্যে ছালাতের সময় হয়ে গেল। বিলাল (রাঃ) আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট এসে বললেন, হে আবূ বকর! আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এদিকে ছালাতের সময় হয়ে গেছে, আপনি কি ছালাতে লোকদের ইমামতি করতে প্রস্ত্তত আছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, যদি তুমি চাও। তখন বিলাল (রাঃ) ইক্বামত বললেন এবং আবূ বকর (রাঃ) সামনে এগিয়ে গিয়ে লোকদের জন্য তাকবীর বললেন। এদিকে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) আসলেন এবং কাতারের ভিতর দিয়ে হেঁটে (প্রথম) কাতারে এসে দাঁড়িয়ে গেলেন। মুছল্লীগণ তখন হাত তালি দিতে লাগলেন। আবূ বকর (রাঃ) ছালাতে এদিক সেদিক তাকালেন এবং আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)-কে দেখতে পেলেন। আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) তাঁকে ইঙ্গিত করে ছালাত আদায় করতে থাকার নির্দেশ দিলেন। আবূ বকর (রাঃ) দু’হাত তুলে আল্লাহর হামদ বর্ণনা করলেন এবং পিছনের দিকে সরে গিয়ে কাতারে দাঁড়ালেন। আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) সামনে এগিয়ে লোকদের নিয়ে ছালাত আদায় করলেন। ছালাত শেষ করে মুছল্লীগণের প্রতি লক্ষ্য করে বললেন, হে লোক সকল! তোমাদের কী হয়েছে, ছালাতে কোন ব্যাপার ঘটলে তোমরা হাত তালি দিতে থাক কেন? হাত তালি তো মেয়েদের জন্য। কারো ছালাতের মধ্যে কোন সমস্যা দেখা দিলে সে বলবে ‘সুবহানাল্লাহ’। কারণ কেউ অন্যকে ‘সুবহানাল্লাহ’ বলতে শুনলে অবশ্যই সেদিকে লক্ষ্য করবে। অতঃপর তিনি বললেন, হে আবূ বকর! তোমাকে আমি ইঙ্গিত করা সত্ত্বেও কিসে তোমাকে লোকদের নিয়ে ছালাত আদায় করতে বাধা দিল? আবূ বকর (রাঃ) বললেন, কুহাফার ছেলের জন্য এটা সমীচীন নয় যে, সে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)-এর সম্মুখে দন্ডায়মান হয়ে ছালাত আদায় করবে। (বুখারী হা/১২৩৪, ৬৮৪)

– See more at: http://www.at-tahreek.com/july2014/article1001.html#sthash.Z0e6rfSR.dpuf

কুরায়ব (রহঃ) হ’তে বর্ণিত, ইবনু আববাস, ইবনু মাখরামাহ এবং আব্দুর রহমান ইবনু আযহার (রাঃ) তাঁকে আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন এবং বলে দিলেন, তাঁকে আমাদের সকলের তরফ হ’তে সালাম পৌঁছে দিবে ও আছরের পরের দু’রাক‘আত ছালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে। তাঁকে একথাও বলবে যে, আমরা খবর পেয়েছি যে, আপনি সে দু’রাক‘আত আদায় করেন; অথচ আমাদের নিকট পৌঁছেছে যে নবী করীম (ছাঃ) সে দু’রাক‘আত আদায় করতে নিষেধ করেছেন।

ইবনু আববাস (রাঃ) সংবাদে আরও বললেন যে,

আমি ওমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর সাথে এ ছালাতের কারণে লোকদের মারধর করতাম। কুরায়ব (রহঃ) বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে তাঁকে তাঁদের পয়গাম পৌঁছে দিলাম।
তিনি বললেন, উম্মু সালামাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস কর। কুরায়ব (রহঃ) বলেন, আমি সেখান হ’তে বের হয়ে তাঁদের নিকট গেলাম এবং তাঁদেরকে আয়েশা (রাঃ)-এর কথা জানালাম। তখন তাঁরা আমাকে আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট যে বিষয় নিয়ে পাঠিয়েছিলেন তা নিয়ে পুনরায় উম্মু সালামাহ (রাঃ)-এরনিকট পাঠালেন।

উম্মু সালামাহ (রাঃ) বললেন, আমিও নবী করীম (ছাঃ)-কে তা নিষেধ করতে শুনেছি। অথচ তাকে আছরের ছালাতের পর তা আদায় করতেও দেখেছি। একদা তিনি আছরের ছালাতের পর আমার ঘরে আসলেন। তখন আমার নিকট বনু হারাম গোত্রের আনছারী কয়েকজন মহিলা উপস্থিত ছিলেন। আমি বাঁদীকে এ বলে তাঁর নিকট পাঠালাম যে, তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে তাঁকে বলবে, উম্মে সালামাহ (রাঃ) আপনার নিকট জানতে চেয়েছেন, আপনাকে (আছরের পর ছালাতের) দু’রাক‘আত নিষেধ করতে শুনেছি। অথচ দেখছি, আপনি তা আদায় করছেন? যদি তিনি হাত দিয়ে ইঙ্গিত করেন, তাহ’লে পিছনে সরে থাকবে, বাঁদী তা-ই করল। তিনি ইঙ্গিত করলেন, সে পিছনে সরে থাকল। ছালাত শেষ করে তিনি বললেন, হে আবূ উমাইয়ার কন্যা! আছরের পরের দু’রাক‘আত ছালাত সম্পর্কে তুমি আমাকে জিজ্ঞেস করেছ। আব্দুল কায়স গোত্রের কিছু লোক আমার নিকট এসেছিল। তাতে যোহরের পরের দু’রাক‘আত আদায় করতে না পেরে (তাদেরকে নিয়ে) ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। এ সেই দু’রাক‘আত। (বুখারী হা/১২৩৩, ৪৩৭০, মুসলিম ৬/৫৪, হা/৭৩৪)।

ইমামকে সতর্ক করতে মুক্তাদীর করণীয়

সাহল ইবনু সা‘দ আস-সাঈদী (রাঃ) হ’তে বর্ণিত নবী করীম (ছাঃ)-এর নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, বনু আমর ইবনু আওফ এ কিছু ঘটেছে। তাদের মধ্যে আপোষ করে দেয়ার উদ্দেশ্যে তিনি কয়েকজন ছাহাবীসহ বেরিয়ে গেলেন। আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) সেখানে কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েন। ইতিমধ্যে ছালাতের সময় হয়ে গেল। বিলাল (রাঃ) আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট এসে বললেন, হে আবূ বকর! আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এদিকে ছালাতের সময় হয়ে গেছে, আপনি কি ছালাতে লোকদের ইমামতি করতে প্রস্ত্তত আছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, যদি তুমি চাও। তখন বিলাল (রাঃ) ইক্বামত বললেন এবং আবূ বকর (রাঃ) সামনে এগিয়ে গিয়ে লোকদের জন্য তাকবীর বললেন। এদিকে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) আসলেন এবং কাতারের ভিতর দিয়ে হেঁটে (প্রথম) কাতারে এসে দাঁড়িয়ে গেলেন। মুছল্লীগণ তখন হাত তালি দিতে লাগলেন। আবূ বকর (রাঃ) ছালাতে এদিক সেদিক তাকালেন এবং আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)-কে দেখতে পেলেন। আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) তাঁকে ইঙ্গিত করে ছালাত আদায় করতে থাকার নির্দেশ দিলেন। আবূ বকর (রাঃ) দু’হাত তুলে আল্লাহর হামদ বর্ণনা করলেন এবং পিছনের দিকে সরে গিয়ে কাতারে দাঁড়ালেন। আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) সামনে এগিয়ে লোকদের নিয়ে ছালাত আদায় করলেন। ছালাত শেষ করে মুছল্লীগণের প্রতি লক্ষ্য করে বললেন, হে লোক সকল! তোমাদের কী হয়েছে, ছালাতে কোন ব্যাপার ঘটলে তোমরা হাত তালি দিতে থাক কেন? হাত তালি তো মেয়েদের জন্য। কারো ছালাতের মধ্যে কোন সমস্যা দেখা দিলে সে বলবে ‘সুবহানাল্লাহ’। কারণ কেউ অন্যকে ‘সুবহানাল্লাহ’ বলতে শুনলে অবশ্যই সেদিকে লক্ষ্য করবে।

অতঃপর তিনি বললেন,

হে আবূ বকর! তোমাকে আমি ইঙ্গিত করা সত্ত্বেও কিসে তোমাকে লোকদের নিয়ে ছালাত আদায় করতে বাধা দিল? আবূ বকর (রাঃ) বললেন, কুহাফার ছেলের জন্য এটা সমীচীন নয় যে, সে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)-এর সম্মুখে দন্ডায়মান হয়ে ছালাত আদায় করবে। (বুখারী হা/১২৩৪, ৬৮৪)।

কুরায়ব (রহঃ) হ’তে বর্ণিত, ইবনু আববাস, ইবনু মাখরামাহ এবং আব্দুর রহমান ইবনু আযহার (রাঃ) তাঁকে আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন এবং বলে দিলেন, তাঁকে আমাদের সকলের তরফ হ’তে সালাম পৌঁছে দিবে ও আছরের পরের দু’রাক‘আত ছালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে। তাঁকে একথাও বলবে যে, আমরা খবর পেয়েছি যে, আপনি সে দু’রাক‘আত আদায় করেন; অথচ আমাদের নিকট পৌঁছেছে যে নবী করীম (ছাঃ) সে দু’রাক‘আত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। ইবনু আববাস (রাঃ) সংবাদে আরও বললেন যে, আমি ওমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর সাথে এ ছালাতের কারণে লোকদের মারধর করতাম। কুরায়ব (রহঃ) বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে তাঁকে তাঁদের পয়গাম পৌঁছে দিলাম।

তিনি বললেন, উম্মু সালামাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস কর। কুরায়ব (রহঃ) বলেন, আমি সেখান হ’তে বের হয়ে তাঁদের নিকট গেলাম এবং তাঁদেরকে আয়েশা (রাঃ)-এর কথা জানালাম। তখন তাঁরা আমাকে আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট যে বিষয় নিয়ে পাঠিয়েছিলেন তা নিয়ে পুনরায় উম্মু সালামাহ (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বললেন, আমিও নবী করীম (ছাঃ)-কে তা নিষেধ করতে শুনেছি। অথচ তাকে আছরের ছালাতের পর তা আদায় করতেও দেখেছি। একদা তিনি আছরের ছালাতের পর আমার ঘরে আসলেন। তখন আমার নিকট বনু হারাম গোত্রের আনছারী কয়েকজন মহিলা উপস্থিত ছিলেন। আমি বাঁদীকে এ বলে তাঁর নিকট পাঠালাম যে, তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে তাঁকে বলবে, উম্মে সালামাহ (রাঃ) আপনার নিকট জানতে চেয়েছেন, আপনাকে (আছরের পর ছালাতের) দু’রাক‘আত নিষেধ করতে শুনেছি। অথচ দেখছি, আপনি তা আদায় করছেন? যদি তিনি হাত দিয়ে ইঙ্গিত করেন, তাহ’লে পিছনে সরে থাকবে, বাঁদী তা-ই করল। তিনি ইঙ্গিত করলেন, সে পিছনে সরে থাকল। ছালাত শেষ করে তিনি বললেন, হে আবূ উমাইয়ার কন্যা! আছরের পরের দু’রাক‘আত ছালাত সম্পর্কে তুমি আমাকে জিজ্ঞেস করেছ। আব্দুল কায়স গোত্রের কিছু লোক আমার নিকট এসেছিল। তাতে যোহরের পরের দু’রাক‘আত আদায় করতে না পেরে (তাদেরকে নিয়ে) ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। এ সেই দু’রাক‘আত। (বুখারী হা/১২৩৩, ৪৩৭০, মুসলিম ৬/৫৪, হা/৭৩৪)

ইমামকে সতর্ক করতে মুক্তাদীর করণীয়

সাহল ইবনু সা‘দ আস-সাঈদী (রাঃ) হ’তে বর্ণিত নবী করীম (ছাঃ)-এর নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, বনু আমর ইবনু আওফ এ কিছু ঘটেছে। তাদের মধ্যে আপোষ করে দেয়ার উদ্দেশ্যে তিনি কয়েকজন ছাহাবীসহ বেরিয়ে গেলেন। আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) সেখানে কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েন। ইতিমধ্যে ছালাতের সময় হয়ে গেল। বিলাল (রাঃ) আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট এসে বললেন, হে আবূ বকর! আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এদিকে ছালাতের সময় হয়ে গেছে, আপনি কি ছালাতে লোকদের ইমামতি করতে প্রস্ত্তত আছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, যদি তুমি চাও। তখন বিলাল (রাঃ) ইক্বামত বললেন এবং আবূ বকর (রাঃ) সামনে এগিয়ে গিয়ে লোকদের জন্য তাকবীর বললেন। এদিকে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) আসলেন এবং কাতারের ভিতর দিয়ে হেঁটে (প্রথম) কাতারে এসে দাঁড়িয়ে গেলেন। মুছল্লীগণ তখন হাত তালি দিতে লাগলেন। আবূ বকর (রাঃ) ছালাতে এদিক সেদিক তাকালেন এবং আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)-কে দেখতে পেলেন। আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) তাঁকে ইঙ্গিত করে ছালাত আদায় করতে থাকার নির্দেশ দিলেন। আবূ বকর (রাঃ) দু’হাত তুলে আল্লাহর হামদ বর্ণনা করলেন এবং পিছনের দিকে সরে গিয়ে কাতারে দাঁড়ালেন। আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) সামনে এগিয়ে লোকদের নিয়ে ছালাত আদায় করলেন। ছালাত শেষ করে মুছল্লীগণের প্রতি লক্ষ্য করে বললেন, হে লোক সকল! তোমাদের কী হয়েছে, ছালাতে কোন ব্যাপার ঘটলে তোমরা হাত তালি দিতে থাক কেন? হাত তালি তো মেয়েদের জন্য। কারো ছালাতের মধ্যে কোন সমস্যা দেখা দিলে সে বলবে ‘সুবহানাল্লাহ’। কারণ কেউ অন্যকে ‘সুবহানাল্লাহ’ বলতে শুনলে অবশ্যই সেদিকে লক্ষ্য করবে। অতঃপর তিনি বললেন, হে আবূ বকর! তোমাকে আমি ইঙ্গিত করা সত্ত্বেও কিসে তোমাকে লোকদের নিয়ে ছালাত আদায় করতে বাধা দিল? আবূ বকর (রাঃ) বললেন, কুহাফার ছেলের জন্য এটা সমীচীন নয় যে, সে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)-এর সম্মুখে দন্ডায়মান হয়ে ছালাত আদায় করবে। (বুখারী হা/১২৩৪, ৬৮৪)

– See more at: http://www.at-tahreek.com/july2014/article1001.html#sthash.Z0e6rfSR.dpuf


শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
আপনিও হোন ইসলামের প্রচারক! মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের শ্বাশত বাণী ছড়িয়ে দিন। আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিভিন্ন লেখা ফেসবুক, টুইটার, ব্লগ ইত্যাদি ওয়েবসাইটে শেয়ার করুন এবং সকলকে জানার সুযোগ করে দিন। নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে -এ লাইক করুন

Check Also

পিতা-মাতার সাথে আদব সমূহ

শেয়ার করুন      প্রবন্ধটি পড়া হলে শেয়ার করতে ভুলবেন না। শুরু করছি মহান আল্লাহর নামে যানি …

মন্তব্য করুন

Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

close